
মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কুড়ুলগাছি দাখিল মাদরাসায় বর্তমানে ২১ জন শিক্ষক রয়েছেন। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, তাদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসাটিতে নিয়মিত ও যথাযথভাবে পাঠদান হয় না। অনেক শিক্ষক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিগত কয়েক বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল খারাপ হয়ে আসছে বলে জানান তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত মাদরাসায় আসেন না এবং যথাযথভাবে পাঠদান করেন না। এ কারণে সচেতন অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের সেখানে ভর্তি করতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থী সংকটের পাশাপাশি ফলাফলও খারাপ হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কুড়ুলগাছি দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুস সামাদ বলেন, শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদরাসায় উপস্থিত হতো না। তবে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। আগামীতে ভালো ফলাফলের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দামুড়হুদা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. রাফিজুল ইসলাম বলেন, তিনি এর আগে একাধিকবার মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কেন এমন ফলাফল হয়েছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল মাদরাসাটির শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং পাঠদানের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :