
নির্বাচনী দায়িত্ব ও স্ট্রাইকিং ফোর্স: ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিজিবি কুমিল্লা সেক্টরের আওতাধীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষীপুর ও ফেনী জেলার ৫৩টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। এর মধ্যে ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী ৩টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে (সেনাবাহিনী ব্যতীত) এবং বাকি ৪১টি উপজেলায় সেনাবাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে ‘মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিজিবি সদস্যরা নির্ধারিত জেলাগুলোতে মোতায়েন সম্পন্ন করবেন।
সীমান্তে কঠোর নজরদারি: নির্বাচনকালীন সময়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পাশাপাশি সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করা হয়েছে। ৩২৭.৩০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় বিজিবি’র ৬১টি বিওপি এবং অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে অস্ত্র, মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আভিযানিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিজিবি অধিনায়ক বলেন, কোনো অপশক্তি যেন সীমান্ত পেরিয়ে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত করতে না পারে, সে জন্য আমরা বদ্ধপরিকর।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিগত কয়েক মাসের আভিযানিক সাফল্যও তুলে ধরা হয়। ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত কুমিল্লা সেক্টরে প্রায় ৯৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য ও মাদক জব্দ করা হয়েছে। এ সময় দায়ের করা হয়েছে ১,৮০০ এর বেশি মামলা এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩৮ জনকে।
বিশেষ সাফল্যে হিসেবে গত ১৩ জানুয়ারি সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) কর্তৃক কুমিল্লার বুড়িচংয়ের চাঞ্চল্যকর ফাহিমা আক্তার আখি হত্যা মামলার তিন পলাতক আসামিকে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তারের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
ব্রিফিংয়ের শেষে বিজিবি অধিনায়ক একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
আপনার মতামত লিখুন :