
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন রুবেল। রাজনৈতিক দুঃসময়ে অনেক নেতা মাঠে অনুপস্থিত থাকলেও তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং সাহস জুগিয়েছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ১৭টির বেশি মামলা হয় এবং একাধিকবার কারাভোগ করতে হয়। তবে এসব বাধা সত্ত্বেও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, রুবেল শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি অনেকের অভিভাবকের মতো। কঠিন সময়ে তাঁর সহযোগিতা ও উপস্থিতি নেতাকর্মীদের সাহস জুগিয়েছে।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, ক্রীড়া ও সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় রয়েছেন রুবেল। স্থানীয় শিক্ষার্থীদের সহায়তা, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এবং তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ায় এলাকাবাসীর প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, সহজ-সরল জীবনযাপন ও ত্যাগী মানসিকতার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
এদিকে আসন্ন নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, আব্দুর রউফ রুবেলকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান তাঁরা। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তাঁর নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা আগামী দিনে নন্দীগ্রামের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বগুড়ার আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :