
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পোরশা থানার তুড়িপাড়া গ্রামের একটি আম বাগানে নিয়মিত ভেড়া চড়াতেন আসামি নুর আলম। ওই বাগানের পাশে খেলার সময় প্রায়ই বাদীর শিশু কন্যাকে মোবাইল ফোনে ছবি দেখানোর প্রলোভন দেখাতেন তিনি। গত ৪ জুলাই দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে ছবি দেখানোর কথা বলে ফুসলিয়ে ওই আম বাগানের একটি কাঠের চৌকিতে নিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন নুর আলম। পরে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাছে বিস্তারিত জানালে নুর আলম এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় শিশুটির মা মোছাঃ আলেয়া খাতুন বাদী হয়ে পোরশা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনার তীব্রতা বিবেচনা করে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য সার্কেল এএসপি এবং পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) কঠোর নির্দেশনা দেন।
এরই ধারাবাহিকতায়, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পোরশা থানার পুলিশ কালুকান্দর গ্রামের জনৈক হামিদুল ইসলামের বসতবাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে পলাতক আসামি নুর আলম মোল্লাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত নুর আলম উপজেলার গোবিরাকুড়ি গ্রামের মৃত নুরুন্নবী মোল্লার ছেলে।
পোরশা থানা পুলিশ জানায়, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে পুলিশি তৎপরতার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
আপনার মতামত লিখুন :