
নিহত ব্যক্তিরা হলেন কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর বাতানবাড়ি এলাকার হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মোরছালিন (২২) এবং মধুপুর গ্রামের নবীর হোসেন (৪০)। মোরছালিন স্থানীয় শাহআলম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, নিহত দুজন চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
নিহত মোরছালিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার রাতে স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে সীমান্তে নিয়ে যান। পরে সীমান্তের ভারতীয় অংশে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে মোরছালিন গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা তাঁর মরদেহ ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বলে দাবি পরিবারের।
মা.দ.ক-অনলাইন জু.য়া.র বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এমপি শ্যামলের
বিজিবির ৬০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার রাতে প্রায় ১৫ জন বাংলাদেশি চোরাকারবারি ভারতীয় চোরাকারবারিদের সহযোগিতায় ধজনগর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে চোরাচালানের মালামাল নিয়ে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের পাথারিয়াদ্বার ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁদের বাধা দেন।
তিনি বলেন, এ সময় চোরাকারবারিদের সঙ্গে বিএসএফ সদস্যদের ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে গুলি চালানো হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মো. মোরছালিন ও নবীর হোসেন ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ ফেরত আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় বিএসএফকে প্রতিবাদপত্র পাঠানো এবং পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :