
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ মে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে শিশু তানিয়া (৩) (ছদ্মনাম) তার দাদা বরকত উল্লাহর সঙ্গে বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী আলম গাজী শিশুটিকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি মাছের ঘেরের টোংঘরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটির ওপর শারীরিক নির্যাতন ও অশালীন আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী জানায়, টোংঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এক নারী শিশুটির কান্নার শব্দ শুনতে পান। সন্দেহ হলে তিনি দরজা খুলে ভেতরের আপত্তিকর পরিস্থিতি দেখতে পান। পরে শিশুটি কান্নাজড়িত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে তার মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে।
ভুক্তভোগী পরিবারটি প্রথমে সামাজিক মান-সম্মানের কথা চিন্তা করে বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেছিল। তবে বৃহস্পতিবার (২২ মে) ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে সর্বমহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে শিশুটির পিতা-মাতা শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলম গাজীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির শারীরিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
এদিকে, অবুঝ শিশুর ওপর এমন পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় স্বরুপদাহ গ্রামসহ গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজ অভিযুক্ত আলম গাজীর দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
শিশু ধর্ষণ নিয়ে আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুনএখানে
যশোরের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :