ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী


লাখোকণ্ঠ ডেস্ক প্রকাশের সময় : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ ৫৭
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালু করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর আওতায় পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করা, ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক জানতে চান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক বা বুলেট ট্রেন চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোর উন্নয়নে সরকারের তিনটি বড় উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

ইলেকট্রিক ট্রেনের নকশা শেষ, প্রয়োজন অর্থায়ন

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। অর্থায়ন পাওয়া সাপেক্ষে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালু হলে ট্রেনের গড় গতি বাড়বে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাতায়াতের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে আশা করছে সরকার।

ঢাকা-কুমিল্লা কর্ডলাইনে কমবে দূরত্ব

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্ডলাইনটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে রেলপথের দূরত্ব কমবে। একই সঙ্গে ট্রেনের গড় গতিও বাড়বে। এতে দুই শহরের মধ্যে কম সময়ে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

পুরো রুটে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এর আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অন্যদিকে টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্প প্রস্তাব বা ডিপিপি প্রণয়নের কাজও শেষ পর্যায়ে।

সরকার আশা করছে, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। পাশাপাশি ট্রেনের গতি ও যাতায়াতের সুবিধাও বাড়বে।

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

Google-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

Google-এ পড়ুন লাখোকণ্ঠের খবর 

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০