
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন শহরের আনন্দবাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিক। জামাতে জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মোবারক হোসাইনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, “প্রতিটি সরকারের নিজস্ব কৌশল থাকে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরও হয়তো একটি কৌশল ছিল। তবে তারা যে চুক্তিগুলো করেছে, সে বিষয়ে দেশবাসী বা আমরা আগে জানতাম না। কোন প্রেক্ষাপটে এসব চুক্তি হয়েছে, তা তারাই ভালো বলতে পারবেন।”
তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে চুক্তিগুলো হাতে পেয়েছি এবং সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। দেশের সার্বভৌমত্ব ও অধিকার অক্ষুণ্ন রেখে যেসব বিষয়ে সম্ভব, সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে আগামী দিনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলা ঈদগাহ মাঠ ছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে প্রায় ১ হাজার ২০০টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :