
১০ জিলহজ সকালে মিনায় পৌঁছেই বড় জামারায় শয়তানের উদ্দেশে একে একে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করেন হাজিরা। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো জামারা এলাকা। হজরত ইবরাহিম আ.-এর সুন্নাহর অনুসরণে সম্পন্ন হওয়া এই প্রতীকী আমলের মধ্য দিয়ে শয়তানের কুমন্ত্রণা ও অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন মুসল্লিরা।
কঙ্কর নিক্ষেপ শেষে শুরু হয় কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা। মিনার নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করেন এই গুরুত্বপূর্ণ আমল। আর যারা ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে কোরবানি দিচ্ছেন, তারা কনফারমেশন বার্তা পাওয়ার পর পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার প্রস্তুতি নেন। পুরো প্রক্রিয়া জুড়েই হাজিদের মাঝে ছিল গভীর ধর্মীয় অনুভূতি ও প্রশান্তির আবহ।
কোরবানি সম্পন্ন হওয়ার পর মাথা মুণ্ডন বা চুল ছোট করার মধ্য দিয়ে ইহরামের বিধিনিষেধ থেকে মুক্ত হন আল্লাহর মেহমানরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইহরামের সাদা কাপড় বদলে সাধারণ পোশাকে ফিরতে পেরে হাজিদের চোখে মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি, তৃপ্তি আর আনন্দের ছাপ। একই দিনে সৌদি আরবজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা Eid-ul-Adha।
পবিত্র ঈদুল আজহা নিয়ে আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :