
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ঘুলকুড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুদ্দিনের জীবদ্দশায় তাঁর নিকটাত্মীয় এমদাদুল হকের সঙ্গে প্রায় তিন শতক জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এমদাদুল হক দাবি করে আসছেন, মুক্তিযোদ্ধার বাড়ির ভেতরের ওই জমি তাঁর প্রাপ্য। অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা সাইফুদ্দিন তাঁকে অন্য স্থানে জমি দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন পরিবারের সদস্যরা।
মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে ডা. আনোয়ার হোসেন রিজভী উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পত্তির দেখভাল করে আসছেন। পরিবারের দাবি, তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় অবস্থানকালে বাড়িতে লোকজনের উপস্থিতি কম থাকার সুযোগে এমদাদুল হক লোকজন নিয়ে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে নতুন করে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন।
এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি আগে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের জন্য তোলা হয়েছিল। ডা. আনোয়ার হোসেন রিজভী জানান, চিকিৎসা শেষে ফিরে এসে সালিশে বসার কথা থাকলেও তাঁর অনুপস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে।
ডা. আনোয়ার হোসেন রিজভী বলেন, “আমার অনুপস্থিতিতে এভাবে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা মেনে নেওয়া যায় না। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
অন্যদিকে এমদাদুল হক দাবি করেন, “আমাদের প্রাপ্য জমি বুঝে নিতেই সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ করা হচ্ছিল।”
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষকে জমি দখল বা স্থাপনা নির্মাণ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :