
রংপুর নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আমাশু কুকরুল এলাকায় প্রায় ৮০ একর জমি নিয়ে বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বিভাগীয় ইজতেমার আয়োজন করা হয়। মাসব্যাপী প্রস্তুতিতে পুরো ইজতেমার মাঠ ঘেরা হয়েছে। যেখানে আগের রাতেই অথাৎ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সবাই ইজতেমা মাঠে আসেন এবং মাঠ ভরে যায়।
আয়োজক কমিটির তথ্য মতে, এবারের বিভাগীয় ইজতেমায় রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে তাবলিগের সাথিরা অংশ নিয়েছেন। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার ৪০ দিনের চিল্লায় অংশ নেওয়া সাথীরাও অংশ নেয় এই ইজতেমায়। সবমিলিয়ে কয়েক লক্ষাধিক মুসল্লি বলে ধারণা। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে এসে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২০০ বিদেশি মেহমান। যা সুন্দরভাবে আয়োজন শেষ আজ শেষ হলো আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে।
আয়োজক কমিটির সদস্য খালেকুজ্জামান রাজা জানান, বিভাগীয় ইজতেমার মাঠকে আলোকিত রাখতে বিদ্যুৎ সংযোগের পাশাপাশি শতাধিক জেনারেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছিলো। মুসল্লিদের ওজু ও গোসলের জন্য পর্যাপ্ত পানি ও ট্যাপের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। আগত মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অর্ধশতাধিক মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক মাঠে নিয়োজিত ছিলো। যা আজ অপরদিকে বিভাগীয় ইজতেমার নিরাপত্তায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছিলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সাদা পোশাকে পুলিশি নজরদারির পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছিলো বলে জানিয়েছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী। এদিকে রংপুর বিভাগীয় ইজতেমার মাঠে ঠান্ডাজনিত সমস্যার কারণে দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিক মৃত্যু বলে নিশ্চিত করেছিলেন পুলিশ।
আপনার মতামত লিখুন :