
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি। এর আগে বিদ্যুতের পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফ পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) অনুরোধ জানিয়েছিল বিদ্যুৎ বিভাগ। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর বিভিন্ন গ্রাহকশ্রেণির বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের প্রস্তাব পাওয়ার পর গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি গ্রহণ করে বিইআরসি। পরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে কমিশন বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক), সঞ্চালন এবং খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ করে।
তবে বিইআরসির পুনর্নির্ধারিত ওই ট্যারিফে বিদ্যুৎ বিভাগের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) কর্তৃক প্রেরিত প্রান্তিক (লাইফলাইন) গ্রাহকদের জন্য প্রস্তাবিত ট্যারিফের প্রতিফলন ঘটেনি। বিষয়টি বিদ্যুৎ বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করে, এর ফলে প্রান্তিক গ্রাহক, বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা তাদের জীবনযাত্রার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সে কারণে প্রান্তিক গ্রাহকদের জন্য পুনর্নির্ধারিত ট্যারিফ সরকারের গৃহীত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
এ প্রেক্ষাপটে, পুনঃনির্ধারিত ট্যারিফ পর্যালোচনা করে প্রান্তিক (লাইফলাইন) গ্রাহকদের জন্য বিপিডিবি কর্তৃক গত ৩ মে ২০২৬ তারিখে প্রেরিত প্রস্তাবের আলোকে ট্যারিফ পুনঃনির্ধারণের অনুরোধ জানিয়ে বিইআরসির কাছে চিঠি পাঠায় বিদ্যুৎ বিভাগ।
বিদ্যুৎ বিভাগের এই অনুরোধ ও সরকারের নীতিগত অবস্থানের প্রেক্ষিতে বিইআরসি প্রান্তিক গ্রাহকদের ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে আগের দাম বহাল রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
আপনার মতামত লিখুন :