
তিনি বলেন, ‘আপনারা যে অভিযোগ কিংবা মামলার কথা বলছেন, তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমাকে এ বিষয়ে জড়াবেন না। মামলাটি তদন্তাধীন, এটি আমার পারিবারিক বিষয় হলেও এ বিষয়ে আমার কোনো তথ্য জানা নেই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান, সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।’
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের কাছ থেকে চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেবু প্রসাদ রায় প্রথমে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা নেন। এরপর একই ধরনের আশ্বাসে আরও ৫০ লাখ টাকা এবং পরে ২০২৪ সালের ১৫ মে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন। মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে আরও এক কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অর্থ ফেরত দেওয়া হয়নি। উলটো টাকা চাইলে নানা অজুহাত দেখানো হয় এবং একপর্যায়ে হুমকিও দেওয়া হয়। এতে প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :