
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, রোজার সময় অন্যান্য সময়ের তুলনায় খাবারের পরিমাণ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম রাখা উচিত।
পানি ও স্বাস্থ্যকর পানীয়
রোজায় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। এছাড়া স্বাস্থ্যকর পানীয় যেমন খেজুর ভেজানো পানি, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, কমলার রস বা অন্যান্য তাজা ফলের রস শরীরকে সতেজ রাখে এবং প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে। চিয়া সিড ভিজিয়ে খাওয়ার মাধ্যমে হাইড্রেশন বজায় রাখা যায়।
খেজুর
ইফতারের শুরুতে খেজুর খাওয়া সুস্থ অভ্যাস। খেজুর দ্রুত গ্লুকোজ সরবরাহ করে এবং শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে। এছাড়া এতে থাকা ফাইবার হজমেও সহায়ক।
তাজা ফলমূল
তরমুজ, বাঙ্গি, আপেল, কলা, পেঁপে, আঙুর, আনারস ও অন্যান্য মৌসুমি ফল শরীরে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সরবরাহ করে। প্রাকৃতিক চিনি ও ফাইবারের কারণে আপেল ও কলা শক্তি বাড়ায়, পেঁপে হজমে সহায়ক।
স্বাস্থ্যকর প্রোটিনযুক্ত খাবার
প্রোটিন শক্তি ধরে রাখে এবং পেশি সুস্থ রাখে। ইফতারে স্বাস্থ্যকর প্রোটিন হিসেবে খেতে পারেন সিদ্ধ ডিম, গ্রিলড বা সিদ্ধ মুরগি, গ্রিলড বা বেকড মাছ, দই ও ছানা।
আপনার মতামত লিখুন :