
লিমনের মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় একটি ‘ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স’ বা পারিবারিক সহিংসতার কল পায় পুলিশ। কলটি ছিল লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহর বাড়ি থেকে।

পুলিশ সেখানে পৌঁছালে হিশাম ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ টিম তলব করা হয়। পরে সোয়াট টিমের কাছে আত্মসমর্পণ করেন হিশাম।
হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিশামকে গ্রেফতারেরে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি বাড়ির সামনে একটি তোয়ালে জড়িয়ে বের হয়ে আসছেন। বাড়ির নম্বর ১৪৬১৬ দেখা যাচ্ছে। তিনি হাত উঁচু করে আত্মসমর্পণ করার ভঙ্গি করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে যেভাবে মিলল নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিলের ম.র.দে.হ
এ সময় পুলিশের বিশেষ দল সোয়াট এবং হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিসের সদস্যরা সতর্কতার সাথে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তাদের হাতে উন্নত মানের অস্ত্র এবং তারা সম্পূর্ণ যুদ্ধের পোশাকে সজ্জিত।
যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মা.রা গেছেন
ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি হাত উপরে তুলে ধীরে ধীরে পুলিশের দিকে এগিয়ে আসেন। এরপর তাকে পুলিশের একটি বড় সাঁজোয়া যানের সামনে নিয়ে যাওয়া হল বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে ঘিরে ধরেন। এরপর তাকে হাতকড়া পরিয়ে হেফাজতে নেয়া হয়।
আপনার মতামত লিখুন :