
এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় কন্যা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডক্টর শামারুহ মির্জা।
পোস্টে তিনি কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি অকৃতকার্যদের হতাশ না হয়ে পুনরায় চেষ্টা করার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচটি স্কুলে এক শিক্ষার্থীও পাশ না করার বিষয়টিকে ‘শিউরে ওঠার মতো ঘটনা’ বলে আখ্যা দিয়ে এর মূল কারণ অনুসন্ধান ও সমাধানের জোর দাবি জানিয়েছেন।
ফেসবুক পোস্টে শামারুহ মির্জা লেখেন, এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব ছাত্র-ছাত্রীকে আমার প্রাণঢালা শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন। তোমরা তোমাদের কঠোর পরিশ্রমের ফল পেয়েছ। ওয়েল ডান।
যারা কৃতকার্য হতে পারেনি, তাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়ে তিনি আরও লেখেন, আর যারা উত্তীর্ণ হওনি, এটাই শেষ নয়। আরও পড়তে চাইলে সেই সুযোগ তো আছেই। ইনশাআল্লাহ, পরেরবার ভালো করবে। গ্রেড-এর থেকেও বেশি জরুরি এফোর্ট। চেষ্টা করতে হবে, পরিশ্রম করতে হবে।
তবে ঠাকুরগাঁও জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই হতাশাজনক চিত্রে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি মন্তব্য করেন, ঠাকুরগাঁও-এর পাঁচটি স্কুলে কেউ পাশ করেনি। শিউরে ওঠার মতো কথা। স্কুলগুলোর অবস্থা, মান ভালো করে পর্যালোচনা করতে হবে। কেন এমন হলো? সমস্যা খুঁজে সমাধান করতে হবে।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের যে পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি, সেগুলো হলো— ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, অনভারদিঘি উচ্চ বিদ্যালয়, মাধবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তাওরিগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় ও হরিপুর উপজেলার রামপুর ভাতুরিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।
পরীক্ষার ফলাফলে এমন বিপর্যয় নিয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মাঝেও তীব্র ক্ষোভ ও চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শিক্ষক সংকট, তদারকির অভাব নাকি শিক্ষার গুণগত মানের ঘাটতি—ঠিক কী কারণে এই বিদ্যালয়গুলোতে শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলো, তা দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এই বিপর্যয় প্রসঙ্গে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, ঠিক কী কারণে ওই বিদ্যালয়গুলোতে এমন ফফল বিপর্যয় ঘটল, তা তদারকি ও অনুসন্ধানের মাধ্যমে বের করা হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :