
ফারুক আহমেদ বলেন, সাকিবের বিষয়টা চলমান ছিল। আমি সভাপতি হওয়ার পর থেকেই চেষ্টা করছি। সাকিবের ফিটনেস এবং প্রফেশনালিজম নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ক্রিকেট বোর্ড সবসময় চায় সে বাংলাদেশের হয়ে খেলুক। সাকিব আমাদের জন্য একটা অ্যাসেট এবং ব্র্যান্ড। তার ফিটনেস দেখে তাকে সিলেক্ট করা আমাদের অংশ, তবে আইনি বিষয়গুলো সরকার দেখছে। আশা করছি খুব দ্রুতই একটা সুখবর পাওয়া যাবে।
সব মিলিয়ে সাকিবের দেশে ফেরা এবং ভবিষ্যতে জাতীয় দলে তার ভূমিকা নিয়ে বিসিবির শীর্ষ পর্যায়ে আশাবাদী মনোভাবই ফুটে উঠেছে। ২০২৪ সালের পর থেকে আর লাল-সবুজের জার্সিতে দেখা যায়নি সাকিব আল হাসানকে। মামলার জটিলতায় দেশের মাটিতেও আসা হয়নি এই অলরাউন্ডারের। একবার দেশে ফেরার চেষ্টা করে দুবাই পর্যন্ত এলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত বদলাতে হয় সাকিবকে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :