
আইসিসি এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে। ৭৩ রেটিং পয়েন্টওয়ালা বাংলাদেশ পাকিস্তানের মেয়েদের পেছনে ফেলেছে। ৭২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান ৮ নম্বরে। শীর্ষ ছয় দলের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন নেই। অস্ট্রেলিয়া নারী দলের রেটিং দুই পয়েন্ট (১৬৩) কমলেও যথারীতি শীর্ষে রয়েছে। ইংল্যান্ড ১২৮ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ভারত (১২৬), দক্ষিণ আফ্রিকা (১০০), নিউজিল্যান্ড (৯৩) এবং শ্রীলঙ্কাও (৮৯) নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
বিসিবি পরিচালক পদে নারী ক্রিকেটারদের প্রতিনিধিত্ব চান রুমানা আহমেদ
অন্যদিকে থাইল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস গত তিন বছরে প্রয়োজনীয় আটটি ওয়ানডে না খেলায় আপাতত র্যাঙ্কিংয়ের বাইরে চলে গেছে। তালিকায় ফিরতে থাইল্যান্ডকে আরও একটি ও নেদারল্যান্ডসকে দুটি ম্যাচ খেলতে হবে।
বার্ষিক এই র্যাঙ্কিং করতে ২০২৫ সালের মে থেকে দলগুলোর পারফরম্যান্সকে ১০০ হিসেবে বিবেচনা হয়েছে। তার আগের দুই বছরের ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে ৫০ শতাংশ হিসেবে।
অস্ট্রেলিয়া নারী দলের মতো পুরুষদের টেস্ট দল শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। আসলে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দুই দলের স্থানেই কোনো পরিবর্তন আসেনি। ৩ পয়েন্ট বাড়া অস্ট্রেলিয়া ১৩১ রেটিং নিয়ে এক নম্বরে রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার পয়েন্টও ৩ বেড়েছে, ১১৯ রেটিং নিয়ে তাদের স্থান দুইয়ে। ভারত এক ধাপ এগিয়ে ১০৪ রেটিং নিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে, ফলে ইংল্যান্ড (১০২) এক ধাপ পিছিয়ে চতুর্থ হয়েছে।
একধাপ উন্নতি হয়েছে পাকিস্তানেরও। শ্রীলঙ্কার ৮৬ রেটিংকে পেছনে ফেলে ৮৯ রেটিংয়ের মালিক পাকিস্তান উঠেছে ছয়ে। শ্রীলঙ্কা একধাপ নিচে নেমেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে শীর্ষ দশেই অবস্থান করছে। আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় আটটি টেস্ট না খেলায় র্যাঙ্কিং থেকে ছিটকে গেছে। আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান দুই দলকেই তালিকায় ফিরতে আগামী বছরে অন্তত দুটি করে টেস্ট খেলতে হবে।
আইসিসি আরও জানিয়েছে, ৫ মে টি-টোয়েন্টির আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং এবং ৭ মে পুরুষদের ওয়ানডে র্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :