
এক কড়া বিবৃতিতে পিসিবি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইসিসির টুর্নামেন্ট অনুমোদন ও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী এশিয়ান লিজেন্ডস লিগ সম্পূর্ণ অবৈধ ও অননুমোদিত একটি প্রতিযোগিতা। এমনকি আয়োজক দেশ জাম্বিয়া ক্রিকেট ইউনিয়নও (জেডসিইউ) এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটিকে কোনো স্বীকৃতি দেয়নি।
বোর্ডের তোয়াক্কা না করে মাঠে নামায় অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পিসিবি। দোষী প্রমাণিত হলে পড়তে হতে পারে দুই বছরের দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার মুখে।
এই মেয়াদের মধ্যে বিদেশি কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার জন্য এনওসি পাবেন না তারা। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পিসিবি বা পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচ, মেন্টর কিংবা পরামর্শক হিসেবেও নিয়োগ পাওয়ার পথ একপ্রকার বন্ধ হয়ে যাবে।
পিসিবি কড়া বার্তা দিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছে, যেকোনো বিদেশি লিগে মাঠে নামার আগে নিজের দেশের বোর্ডের কাছ থেকে ছাড়পত্র নেওয়া আইসিসির বিধানে বাধ্যতামূলক। এই শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি আইসিসির দরবারে জবাবদিহির মুখে পড়তে হতে পারে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকেও।
ক্রিকেটভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ইএসপিএনক্রিকইনফোর তথ্যমতে, গত ৩০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ছয় দলের এই টুর্নামেন্টে ‘পাকিস্তান প্যান্থার্স’ নামের এক দলের হয়ে দেখা যাচ্ছে হাফিজ-মালিকদের। অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী দলটির স্কোয়াডে নাম রয়েছে শারজিল খান, কামরান আকমল, মোহাম্মদ হাফিজ, শোয়েব মালিক, উমর আকমল, ইমরান নাজির, সাঈদ আজমল, সোহেল তানভীর, ইয়াসির শাহ, রাহাত আলী ও মোহাম্মদ ইরফানের মতো একসময়ের দাপুটে সব তারকাদের। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন মাঠেও নেমে পড়েছেন।
এই লিগে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের অনেক সাবেক তারকা অংশ নিলেও এখন পর্যন্ত একমাত্র পিসিবিই কঠোর অবস্থান নিয়ে ক্রিকেটারদের শাস্তির খড়গ ঝুলিয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :