
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, হাসলে মানুষের শরীরে ইতিবাচক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত হাসি মনকে প্রফুল্ল রাখে, উদ্বেগ কমায় এবং কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়ায়। তাই অনেক চিকিৎসকও মানসিক সুস্থতার জন্য হাসিখুশি থাকার পরামর্শ দেন।
পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কেও হাসির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একসঙ্গে হাসি–আনন্দ ভাগাভাগি করলে মানুষের মধ্যে দূরত্ব কমে এবং সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। ছোট একটি রসিকতা কিংবা আনন্দঘন মুহূর্ত অনেক সময় ক্লান্ত মনকে নতুন উদ্যমে ভরিয়ে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যস্ত জীবনের মাঝেও একটু সময় বের করে হাসুন, আনন্দ ভাগাভাগি করুন। কারণ হাসি শুধু মন ভালো রাখে না, সুস্থ ও ইতিবাচক জীবন গড়তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আপনার মতামত লিখুন :