
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে মিরপুর থানার আমলা ক্যাম্পের এসআই রকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে সদরপুর ইউনিয়নের টেকনিক্যাল কলেজ সড়ক এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় নওদা আজমপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে রবিউলকে আট পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
রবিউলের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত ১০টার দিকে তাঁকে ছাড়িয়ে নিতে কয়েকজন স্থানীয় নেতা থানায় যান। তাঁদের মধ্যে সদরপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও বিএনপি নেতা এনামুল হক এবং স্থানীয় জামায়াতের নেতা সুজন আলী, আলাউদ্দিন, শফিকুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম ছিলেন।
পুলিশের দাবি, আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের ওপর তাঁরা চাপ সৃষ্টি করেন। বারবার নিষেধ করার পরও তাঁরা আসামিকে মুক্ত করার দাবিতে অনড় থাকেন। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, “হাতেনাতে গ্রেপ্তার আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে তাঁরা অনৈতিকভাবে তদবির করছিলেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁরা হয় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, নয়তো মাদক ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দিচ্ছেন।”
ওসি আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় অনেকেই মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :