
শনিবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন এইউডব্লিউর উপাচার্য ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ড. রুবানা হক।
অনুষ্ঠানে ইয়াংওয়ান করপোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের প্রতিষ্ঠাতা কামাল আহমেদ, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা, বিজিএমইএর পরিচালক, বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান, পোশাক খাতের উদ্যোক্তা, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে তৈরি পোশাক খাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, নারীর নেতৃত্ব বিকাশ এবং শিল্প ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ, গ্র্যাজুয়েট নিয়োগ এবং শিল্পের ভবিষ্যৎ দক্ষতা উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। এ খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সরকার ব্যবসা সহজীকরণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বন্দর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
ড. রুবানা হক পোশাক খাতে নারীর নেতৃত্ব বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, শিল্পের নারী কর্মীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে বিজিএমইএর সদস্য কারখানাগুলোর এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তিনি এইউডব্লিউর ‘মাস্টার অব সায়েন্স ইন অ্যাপারেল অ্যান্ড রিটেইল ম্যানেজমেন্ট’ কর্মসূচিতে নারী কর্মীদের স্পনসর করার আহ্বান জানান।
বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সদস্য কারখানাগুলোকে এই স্পনসরশিপ কর্মসূচিতে অংশ নিতে উৎসাহিত করা হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, সাসটেইনেবিলিটি ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ নারী পেশাজীবী তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে।
আপনার মতামত লিখুন :