
মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫১ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, এর আগের দিন সোমবার (১ জুন) বেলা ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৬ শতাংশ। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৫ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ছিল ৫৪ শতাংশ।
তীব্র গরম ও আর্দ্রতার কারণে দুপুরের পর রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা হয়ে পড়ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।
দর্শনা পৌর শহরের ব্যবসায়ী মাহবুব-উল ইসলাম খোকন বলেন, “এই গরমে বাইরে কাজ করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ভ্যাপসা গরমে নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হচ্ছে। মনে হচ্ছে শরীর পুড়ে যাচ্ছে।”
গরমের তীব্রতা বাড়ায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডা পানীয়, শরবত ও ডাবের চাহিদাও বেড়েছে। অনেকেই গরম থেকে স্বস্তি পেতে এসবের দিকে ঝুঁকছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে। তবে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
চুয়াডাঙ্গার আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :