
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (৩১ মে) রাতে দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ওমরখানা এলাকা থেকে পার্শ্ববর্তী বোদা উপজেলার বড়শশী (বদ্বেশ্বরী) মন্দিরে আয়োজিত একটি গানের অনুষ্ঠান দেখে বাড়ি ফেরেন ওই নারী ও তাঁর ভাগ্নি।
বাড়িতে ফিরে তাঁরা পরিবারের অন্য সদস্যদের না পেয়ে স্বজনদের খোঁজে বাইরে বের হন। এ সময় এলাকার এক যুবকের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়। পরিবারের সদস্যদের বিষয়ে জানতে চাইলে ওই যুবক খোঁজ দেওয়ার কথা বলে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে ওই যুবক আরও কয়েকজনকে সেখানে ডেকে আনে। পরে অভিযুক্তরা ওই নারীকে পাশের আউলিয়া ঘাট এলাকার নদীর পাড়ে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। একই সময়ে তাঁর ভাগ্নিকে নিজ বাড়িতেই ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর দাবি, বিশ্বজিৎ, রাসেল ও পারভেজ নামের কয়েকজন যুবক এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে তাঁদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবার আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল এবং শিশু অধিকারকর্মীরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, অপরাধী যে-ই হোক, দ্রুত তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ থানার কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পঞ্চগড়ের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :