
নিহত শাহাদাত হোসেন ওই এলাকার কেরামত আলীর ছেলে। তিনি ট্রাক্টরের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে ট্রাক্টরচালকের সঙ্গে ফসলি জমি থেকে ভুট্টা পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন শাহাদাত। একপর্যায়ে ট্রাক্টরের চাকা নরম মাটিতে আটকে গেলে সেটি তোলার জন্য প্রয়োজনীয় বেলচা আনতে বাড়িতে যান। পরে বেলচা নিয়ে কর্মস্থলে ফেরার পথে আকস্মিক বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অমরখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুরু।
ঘটনার পর নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নিতে সেখানে যান ফাহমিদা সুলতানা। এ সময় তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা বলেন, বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বর্ষা মৌসুমে খোলা মাঠে কাজ করার সময় সবাইকে আরও সতর্ক থাকতে হবে। তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং প্রশাসনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১ নম্বর অমরখানা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু মায়েদ সরকার মুকুট, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
আবু মায়েদ সরকার মুকুট বলেন, শাহাদাতের অকাল মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই কঠিন সময়ে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
পঞ্চগড়ের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :