
স্থানীয়দের ভাষ্য, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে একাধিক সরকার ক্ষমতায় এলেও সড়কটির উন্নয়নে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক নেতারা নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে জুরিয়া-ইনাতাবাদ সড়কে উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি।
এলাকাবাসী জানান, বর্ষা মৌসুমে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। কাদামাটি ও জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবীসহ সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে রোগী পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াতে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
স্থানীয় প্রবাসী মামুনুর রশিদ বলেন, “প্রবাস থেকে দেশে এসে কাঁচা রাস্তা দিয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারি না। বৃষ্টি হলে আমরা কার্যত ঘরবন্দী হয়ে পড়ি। দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি।”
স্থানীয়দের দাবি, জীবনমান উন্নয়নের জন্য রাস্তাঘাটের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে ইনাতাবাদ রেললাইন থেকে ঝুড়িয়া বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটি পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মানিক মিয়া বলেন, “এখনো কোনো বরাদ্দ আসেনি। শুনছি কাজ শুরু হবে। বর্তমানে আমার ওয়ার্ডের মানুষ খুবই কষ্টে আছে। আমি সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই, কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ করে মানুষের কষ্ট লাঘব করা হোক।”
এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান রুমন ফরাজী জানান, দক্ষিণ ময়নাবাদ-বাল্লা সড়ক থেকে ঝুড়িয়া পুরাবাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার টেন্ডার হয়েছে। তবে ইনাতাবাদ রেললাইন থেকে ঝুড়িয়া বড়বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হয়ে উত্তর ময়নাবাদ পর্যন্ত আলোচিত সড়কের কোনো টেন্ডার এখনো হয়নি।
তিনি বলেন, “আমি বারবার বিভিন্ন দপ্তরে এই রাস্তার জন্য আবেদন দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এখনো গ্রামবাসী কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না। মানুষের কষ্ট লাঘবে আমার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”
হবিগঞ্জ নিয়ে আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :