
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সদর হাসপাতালে গিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হাম আক্রান্ত রোগীদের খোঁজখবর নেন। এ সময় রোগীদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা–সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরিদর্শনকালে জোন কমান্ডার কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ বলেন, কোনো রোগীর উন্নত বা বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে বান্দরবান সেনা জোনের মেইন ড্রেসিং স্টেশন (এমডিএস) থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে রোগী স্থানান্তরের জন্য সেনাবাহিনীর অ্যাম্বুলেন্স সুবিধাও নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। মানবিক সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো সেনাবাহিনীর দায়িত্বের অংশ এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
পরিদর্শন শেষে জোন কমান্ডার চিকিৎসাধীন রোগীদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাদের স্বজনদের চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানান।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজনরা সেনা জোনের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সংকটময় সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
সম্প্রতি বান্দরবানের রুমা, থানচি ও আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় হামের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সদর হাসপাতালে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :