
এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম বেংহারী ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে রফিকুল ইসলাম বলেন, ১৯৯৫ সালে আব্দুল হাফিজের কাছ থেকে দলিল নম্বর ২৯০-এর মাধ্যমে তিনি জমিটি কেনেন। বেংহারী দেবত্তর মৌজার জেএল নম্বর ৩৮, খতিয়ান নম্বর ১৫ ও দাগ নম্বর ১৬১৯-এ তাঁর মোট ৩৭ দশমিক ৫ শতক জমি রয়েছে। ওই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে পরিচর্যা করে কাঁঠালগাছগুলো বড় করেন তিনি।
রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, সাদেক হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা জোরপূর্বক জমিটি দখলের চেষ্টা করছেন। এরই মধ্যে তাঁর প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা মূল্যের ৯০টি বড় কাঁঠালগাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
রফিকুল ইসলাম বলেন, জমি ও গাছপালা নিয়ে এমন পরিস্থিতিতে তিনি ও তাঁর পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহেব আলী বলেন, রফিকুল ইসলামের জমি দখল ও গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনায় সাদেক হোসেনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। দলিলপত্র অনুযায়ী জমিটির মালিক রফিকুল ইসলাম বলেও তিনি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাদেক হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :