
বুধবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) মাধ্যমে এ সহায়তা প্রদান করা হয়। বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন।
নিহত চারজনের প্রত্যেকের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে মোট ১২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো হলো—মোহাম্মদ হানিফ (পিতা মো. আজিজুল হক), মো. সামছুল আলম (পিতা মকজলের রহমান), জয়নব বেগম (স্বামী মোহাম্মদ আলী) এবং মো. নজরুল ইসলাম (পিতা মৃত ইউনুস আলী)।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় নিহত অন্যদের মরদেহ ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়ার পর তাঁদের পরিবারকেও একইভাবে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের কোনো সদস্য চাকরির সুযোগ চাইলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. রেজোয়ান সেলিম বলেন, শিল্প দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ক্ষতি কোনো আর্থিক সহায়তায় পূরণ করা সম্ভব নয়। তবে সংকটের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের তাৎক্ষণিক দুর্ভোগ লাঘবে সহায়তা করা জরুরি।
উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় প্রীতি গ্রুপের কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন হতাহত হন। নিহতদের পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রীতি গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :