
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ পাবেন। এই অর্থ ৩০ জুনে পাওয়া বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডে নতুন মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৭৫ শতাংশ কার্যকর হবে। আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনের পুরো ১০০ শতাংশ কার্যকর হবে। একই সময় থেকে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি কার্যকর হবে।
নতুন বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হওয়ায় নির্ধারিত হারে বর্ধিত বেতনের বকেয়া পাওনা ওই তারিখ থেকেই হিসাব করা হবে।
বেতন কাঠামোর পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও মোবাইল ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। এসব সুবিধা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোয় সব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য মোবাইল ভাতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালু করা হচ্ছে। এ ভাতা হিসেবে মাসে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে।
সিনিয়র সচিবদের বেতন ৮২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সমমর্যাদার পদে ৮৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় প্রায় ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবী ও প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে। পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এটি বাস্তবায়নে ব্যয় ১ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে।
সর্বশেষ ২০১৫ সালে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :