
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনের খসড়া ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর খসড়াটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পে স্কেল-সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার পে স্কেলের খসড়া বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। সেখানকার প্রক্রিয়া শেষ হলে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। পরে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, গেজেট প্রকাশে কোনো বিলম্ব করতে চায় না সরকার। প্রক্রিয়াগত কারণে যতটুকু সময় প্রয়োজন, সেটুকুই লাগছে। চলতি সপ্তাহেই গেজেট প্রকাশের আশা করা হচ্ছে।
এর আগে অর্থসচিব জানিয়েছিলেন, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। তবে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে ৬ সেপ্টেম্বরেই গেজেট প্রকাশ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রোববার সম্ভব না হলে চলতি সপ্তাহেই, সম্ভাব্যভাবে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ হতে পারে।
গত সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন করা হয়। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, এটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এ সরকারি কর্মচারীদের বিদ্যমান ২০টি বেতন গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। তবে প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। আর প্রথম গ্রেডের সর্বোচ্চ নির্ধারিত মূল বেতন করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এতে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ছে।
নতুন বেতন কাঠামোয় বেতন বৈষম্য কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে।
নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন দেশের বিপুলসংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী। এখন তাদের নজর বিজি প্রেস, অর্থ মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়ের শেষ মুহূর্তের প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার দিকে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :