
রাজধানীর বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। এ সময় বিজিএমইএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, বহুমুখী সংকট সত্ত্বেও শিল্পের উদ্যোক্তারা দায়িত্ববোধ থেকে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এর ফলে অধিকাংশ শ্রমিক সময়মতো বেতন ও বোনাস পেয়েছেন এবং শিল্প এলাকায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
বিজিএমইএ ভবনে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা
বিজিএমইএ সভাপতি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, শ্রমিকদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং দ্রুত ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা উদ্যোক্তাদের তারল্য সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রেখেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিজিএমইএর তালিকাভুক্ত কারখানার মধ্যে ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশে ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন এবং ৯৯ দশমিক ৮১ শতাংশ কারখানায় ঈদ বোনাস পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কয়েকটি কারখানায় পাওনা পরিশোধ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা দ্রুত শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও প্রায় ৬৪ শতাংশ কারখানা মানবিক কারণে মার্চ মাসের আংশিক বেতন অগ্রিম দিয়েছে। ১৭ মার্চ পর্যন্ত অর্ধেক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, বাকি কারখানাগুলোও শিগগির ছুটি দেবে।
আপনার মতামত লিখুন :