
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু ছাত্রসংগঠন, অনলাইনভিত্তিক কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক-কর্মকর্তা এ তৎপরতার সঙ্গে জড়িত। তাঁদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ইস্যু সামনে এনে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানায়, উপাচার্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নিয়মিত অনলাইন বৈঠকের মাধ্যমে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ক্যাম্পাসের ছোটখাটো ঘটনাকেও বড় আকারে উপস্থাপন করে প্রশাসনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বলেন, উপাচার্যকে বিতর্কিত করতে কিছু গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বলেন, “রইস উদ্দীন স্যার অতীতেও বিভিন্ন আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিতর্কিত করার চেষ্টা হচ্ছে।”
অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীন বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তগুলো আলোচনার ভিত্তিতেই নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আমার ভুল হতে পারে। যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তাহলে সেটি সামনে আনা উচিত। কিন্তু পিছন থেকে আঘাত করা কাম্য নয়। কেউ যদি এ ধরনের অপচেষ্টা চালায়, তাহলে তা ব্যক্তি হিসেবে আমাকে নয়, প্রতিষ্ঠান হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়া বলেন, উপাচার্য সব সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছেন। অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায় তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর দাবি, কিছু গোষ্ঠী ব্যক্তিস্বার্থে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
আপনার মতামত লিখুন :