
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো তথ্য পাননি।সংগঠনটির একাধিক সদস্য জানান, রিয়াজের মৃত্যুসংক্রান্ত খবরটি সম্পূর্ণ গুজব বলেই মনে হচ্ছে।
এ বিষয়ে রিয়াজের স্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ ধরনের খবর একেবারেই সত্য নয়। বিষয়টি পুরোপুরি গুজব এবং ভিত্তিহীন। যেখানেই আছে, ভালো আছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই রিয়াজ আত্মগোপনে রয়েছেন বলে আলোচনা রয়েছে। তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কেউই নিশ্চিত নন। কেউ বলছেন তিনি ভারতে রয়েছেন, আবার কারো মতে তিনি দেশেই আছেন, তবে লোকচক্ষুর আড়ালে। এদিকে অভিনেতার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।
শেখ হাসিনার পতনের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় ছিলেন রিয়াজ। বিভিন্ন সময় দলীয় প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে তাঁকে। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে দেওয়া তাঁর বক্তব্যও একাধিকবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।
নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে টানা প্রায় দুই দশক ধরে ঢালিউডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন রিয়াজ। ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর উপহার দিয়েছেন বহু সুপারহিট ছবি।
সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় তাঁর অভিনীত সিনেমা ‘অপারেশন সুন্দরবন’। এরপর আর নতুন কোনও কাজে তাঁকে দেখা যায়নি।
বর্তমানে রিয়াজের মৃত্যুর খবরটি নিছক গুজব বলেই ধারণা করা হচ্ছে, যদিও তাঁর অবস্থান ঘিরে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।
আপনার মতামত লিখুন :