
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমনাকে নিয়ে সাফারি পার্কে প্রবেশ করেন।পরে তিনি পার্ক ঘুরে দেখেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ তার সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেমে নিজেই গাড়ি চালিয়ে খাল খনন কর্মসূচির স্থলে যান। এ সময় পাশের আসনে বসে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়া গাড়িতে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ।
এরপর সেখান থেকে আবারও নিজে গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় পুরো রাস্তাজুড়ে হাজার হাজার স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং দলীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফুল ছিটিয়ে ও হাত নেড়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

একদিনের সফরে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সকাল ১০টার দিকে তিনি বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন। এ সময় ঝুম বৃষ্টির মধ্যেও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহম্মদ, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। বৃষ্টি উপেক্ষা করে অনেককে হাতে ছাতা, আবার অনেককে ভিজেই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই কক্সবাজার শহরের চিত্র ছিল ভিন্ন। বিমানবন্দর সড়ক, হলিডে মোড়, কলাতলী, সুগন্ধা পয়েন্ট, বাস টার্মিনাল, লিংক রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয় চেকপোস্ট। নিরাপত্তাবাহিনী, সরকারি অতিথি এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বহনকারী যানবাহন ছাড়া সাধারণ যান চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :