
মন্ত্রণালয় জানায়, ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া পরিমার্জনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত ব্যাখায় বলা হয়, সব কাজ ঠিকঠাকভাবে এগোলে শীতকালীন ছুটি শেষে আগামী বছরের ১ জানুয়ারি ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু করা সম্ভব।
এরই মধ্যে সাত কলেজকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি নিয়ে একদল শিক্ষার্থী শিক্ষা ভবন এলাকায় বিক্ষোভ করছেন, অন্যদিকে কলেজের স্বাতন্ত্র্য রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছেন উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা।
পাঁচটি কলেজের শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করে প্রস্তাবিত স্কুলিং মডেলের বিরোধিতা করেন। শিক্ষক ও বিভিন্ন অংশীজনও কাঠামো নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করছেন।
এ অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ঢাকার সাত সরকারি কলেজে মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা ও ফল প্রকাশ এবং উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতেই নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব আনা হয়েছে। খসড়া অধ্যাদেশটি ইউজিসিতে পাঠানো হয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া পাঁচ হাজারের বেশি মতামত পর্যালোচনা করে তা পরিমার্জনের কাজ চলছে।
ব্যাখায় আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার আগেই শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাত কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে একটি পরিচালন ম্যানুয়েলও অনুমোদন করা হয়েছে।
২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের ক্লাস ১ জানুয়ারি থেকে শুরু করার বিষয়ে শিক্ষক প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, নারীশিক্ষার সুযোগ সুরক্ষা, কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদ রক্ষা, স্থাবর–অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বজায় রাখাসহ সব বিষয় বিবেচনায় রেখেই চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হচ্ছে।
মন্ত্রণালয় সকল পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলে—গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি তৈরি না করে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব।
আপনার মতামত লিখুন :