
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পৃথক বিবৃতিতে একই অবস্থান তুলে ধরেন।
সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় করে পেজেশকিয়ান ও গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ একটি যৌথ বার্তায় বলেন, ‘ইরানে কোনো চরমপন্থী বা মধ্যপন্থী বিভাজন নেই। আমরা সবাই বিপ্লবী। জনগণ ও সরকারের মধ্যে লৌহকঠিন ঐক্য রয়েছে। সর্বোচ্চ নেতার প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের সঙ্গে দেশের শত্রুদের আগ্রাসন প্রতিহত করা হবে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারির মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হলে তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হলেও এখনো জনসমক্ষে দেখা দেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, ইরানিরা তাদের নেতা কে, তা নির্ধারণ করতে খুব কঠিন সময় পার করছে। মধ্যপন্থী ও কট্টরপন্থীদের মধ্যে ভয়াবহ অন্তর্দ্বন্দ্ব চলছে। তবে তেহরান বারবার এসব দাবি নাকচ করে বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও চাপই আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং সম্ভাব্য শান্তি আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
আপনার মতামত লিখুন :