
জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এসব কারখানা বন্ধ হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা, করোনা মহামারির প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পোশাক খাত নানা সংকটে পড়েছে।
এ ছাড়া ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট, অর্থপাচারের প্রভাব, বিদেশি ক্রেতাদের অর্ডার কমে যাওয়া এবং ভারত ও ভিয়েতনামের বাণিজ্য সুবিধাও বাংলাদেশের পোশাক খাতে চাপ তৈরি করেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, পোশাক খাতের সংকট মোকাবিলায় সরকার নগদ সহায়তা, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ নিয়েছে। জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) সম্পন্ন হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেও বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।
এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া ও চীনের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :