
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানান, একসময় মোগলহাট স্থলবন্দর দিয়ে যাত্রী চলাচল, যানবাহন পারাপার এবং বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হতো। দেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই স্থলবন্দরকে পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে।
তিনি বলেন, বন্দরের অবকাঠামো, যোগাযোগব্যবস্থা এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা মূল্যায়নের জন্য এটি প্রাথমিক পর্যায়ের পরিদর্শন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাশেদুল হক প্রধান, এ কে এম মমিনুল হকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। তারা বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ও অবকাঠামো ঘুরে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে প্রতিবেশী ভারত–এর সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাবনা ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
লালমনিরহাটের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :