
গত ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ নেটওয়ার্কিং বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, পর্যটন এবং আতিথেয়তা খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. তারেক আহমেদ আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ উপলক্ষে আরএকে চেম্বারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আল নুয়াইমি এবং তাঁর প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার প্রশংসা করে আরএকে চেম্বারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আল নুয়াইমি দেশের বিকাশমান ওষুধ শিল্প, পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, মেনা ও জিসিসি অঞ্চলের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জুলফার গালফ ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ বাংলাদেশের ওষুধ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাইয়ে ডিউ ডিলিজেন্স পরিচালনা করতে পারে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে প্রস্তাবিত কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) নিয়েও আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার আলোচনা ইতোমধ্যে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। সিইপিএ স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দুবাইস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর আশিষ কুমার সরকার।
অন্যদিকে আরএকে চেম্বারের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আল নুয়াইমি। প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ এম. ইসমাইল আল ব্লুশি, মহাপরিচালক ড. রাশেদ খালফান আল নুয়াইমি এবং ডেপুটি ম্যানেজার মোহাম্মদ হাসান আল সাবাব আল তেনেইজিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হবে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :