
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, হাট-বাজারের স্থায়ী শেড এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্মিত বাজার ভবনের ছাদের আয়তন বিবেচনায় নিয়ে সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।
নির্দেশনায় টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সরকারের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক ভবনগুলোতেও ব্যাটারিসহ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থায় অন্তত দুই ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাকআপ রাখতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘নেট মিটারিং নির্দেশিকা, ২০২৫’ অনুযায়ী জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্ব আয় বাড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপনের অর্থ জোগাতে ‘হাট ও বাজার (স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা) বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ১০-এর (ঙ) ও (চ) অনুযায়ী হাট-বাজারের ইজারা আয়ের নির্ধারিত অংশ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী, ইজারা আয়ের ১০ শতাংশ সংশ্লিষ্ট হাট-বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে এবং আরও ১০ শতাংশ উপজেলার অন্য হাট-বাজারের রক্ষণাবেক্ষণ বা উন্নয়নে ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এ অর্থ দিয়ে সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপন ও বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণ করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ২০ বছরের চুক্তি করতে হবে। চুক্তি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সম্পাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎব্যবস্থা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :