প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট করতে দেওয়া হবে না: ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল


বাহাদুর আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রকাশের সময় : ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ ৮৯
প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট করতে দেওয়া হবে না: ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাকৃতিক জলাধার ও কৃষিজমি ভরাট করে আবাসন প্রকল্প নির্মাণের বিরোধিতা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা হলো, কোনো অবস্থাতেই প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট করা যাবে না।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে শহরের পুনিয়াউট এলাকায় নিজ বাসভবনে সদর ও বিজয়নগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের দেওয়া একটি স্মারকলিপি গ্রহণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্মারকলিপিতে সদর ও বিজয়নগরের পেলুনপুর, রাজাবাড়ি, দক্ষিণ রাজাবাড়ি, নাজিরাবাড়ি, দত্তখোলা, শিমরাইল কান্দি, কাউতলী, ভাদুঘর ও কালাইশ্রীপাড়ার তিন শতাধিক ভূমির মালিক স্বাক্ষর করেন। তারা সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের পাশের বসতভিটা, কৃষিজমি ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট করে আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন না করার দাবি জানান।

ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল বলেন, তিতাস নদীর পূর্বপাশের এলাকাটি প্রাকৃতিক জলাধার। সেখানে কোনো অবস্থাতেই আবাসন প্রকল্প করতে দেওয়া হবে না। বর্ষাকালে এসব জলাধার পানি ধারণ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। জলাধার ভরাট করা পরিবেশ আইনেরও পরিপন্থী।

তিনি আরও বলেন, কিছু ভূমিদস্যু ব্যক্তিস্বার্থে জলাধার ভরাটের চেষ্টা করছে। তিনি সংসদ সদস্য থাকা পর্যন্ত এ ধরনের কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হবে না।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, উপশহর প্রকল্পের নামে প্রায় এক হাজার ২০০ একর কৃষিজমি ও জলাভূমি ভরাট হলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি বর্ষায় উজানের পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হয়ে শহরে জলাবদ্ধতা বাড়তে পারে। এ ছাড়া প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করা হয়।

এ সময় জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ভূমির মালিকদের প্রতিনিধি হিসেবে মো. বশির আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ মিয়া, রমজান মিয়া, আনিসুর রহমান ও হাজী মনু মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহির রায়হান বলেন, জমি অধিগ্রহণের দায়িত্ব গণপূর্ত বিভাগের নয়; এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন তথ্য দিতে পারবে।

জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসন কোনো নির্দেশনা পায়নি।

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন

Google-এ পছন্দের সংবাদ উৎস হিসেবে যোগ করুন

Google-এ পড়ুন লাখোকণ্ঠের খবর 

লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১