
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র জানিয়েছে, জুলাই মাসের বেতনের সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীরা ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এবং সাড়ে ৭ শতাংশ অতিরিক্ত বাড়িভাড়া পাবেন। ফলে জুন মাসে যে বেতন তারা পেয়েছেন, তার তুলনায় জুলাই মাসে ৫ শতাংশ বেশি বেতন পাবেন। একই সঙ্গে জুন মাসে প্রাপ্ত সাড়ে ৭ শতাংশ বাড়িভাড়ার সঙ্গে আরো সাড়ে ৭ শতাংশ যুক্ত হবে। অর্থাৎ জুলাই মাস থেকে শিক্ষকরা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া পাবেন।
এ বিষয়ে মাউশির পরিচালক (অর্থ ও ক্রয়) প্রফেসর মোহাম্মদ মনির হোসেন পাটওয়ারী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘চলতি জুলাই মাসের বেতনের সঙ্গে ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট এবং বাড়ি ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে যাদের সিলিং সীমা অতিক্রম করবে তাদের ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হবে না।’
এদিকে এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাই মাসের বেতন বিল জমা দেওয়ার বিষয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে মাউশি। নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিল সাবমিট করতে হবে।
সম্প্রতি মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর অর্থ ইএফটির মাধ্যমে প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানপ্রধান তার প্রতিষ্ঠানের এমপিওসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও ইএফটি মডিউলে লগ-ইন করে বিল সাবমিট করেন। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি শিক্ষক-কর্মচারীর বিধিমোতাবেক প্রাপ্য এমপিওর অর্থ সঠিকভাবে নির্ধারণ করে পৃথকভাবে বিল জমা দিতে হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে ইএফটির মাধ্যমে এমপিওর অর্থ পাঠানো হয়।
অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের দেওয়া তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ পাঠানো না হলে কিংবা অতিরিক্ত অর্থ প্রেরিত হলে তার দায়ভার প্রতিষ্ঠানপ্রধানের ওপর বর্তাবে। অসাবধানতাবশত ভুল তথ্য প্রদান বা অন্য কোনো কারণে কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী অতিরিক্ত অর্থ পেলে তা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে চালানের কপি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করতে হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, শুধু আইবাসে তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে ভ্যালিড জনবলের তথ্য বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হয়েছে। যাদের তথ্য এখনো ভুল রয়েছে, তাদের তথ্য সংশোধন ও যাচাই শেষে পরবর্তীতে বিল সাবমিট অপশনে যুক্ত করা হবে। এ অবস্থায় আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জুলাই মাসের এমপিও বিল জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :