
শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে রিপাবলিক টিভির একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, আমার প্রশ্নটি বাংলাদেশ সম্পর্কিত। আমরা জানতে পেরেছি, বাংলাদেশ আবারও ভারতকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া দ্রুত করতে এবং অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদেরকে ফেরত পাঠাতে অনুরোধ করেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কি কোনো যোগাযোগ হয়েছে? এ ছাড়া শেখ হাসিনা নিজেই ঘোষণা করেছেন, তিনি ডিসেম্বরে ফিরবেন। সুতরাং, এ বিষয়ে উভয় দেশের মধ্যে কি কোনো যোগাযোগ হয়েছে?
জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমরা প্রত্যর্পণের একটি অনুরোধ পেয়েছি। যেমনটা আমরা আগেও বলেছি, এই অনুরোধটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়াগুলো বিবেচনা করে অনুরোধটি আমলে নেওয়া হচ্ছে।
ব্রিফিংয়ে আরেকজন সাংবাদিক প্রশ্ন করতে গিয়ে বলেন, আমার প্রশ্নটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরেকটি প্রত্যর্পণের অনুরোধ সম্পর্কিত। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দেশটিতে নির্বাচনের ঠিক আগে একজন রাজনীতিবিদকে হত্যার ঘটনায় ভারতীয় পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সমস্ত নথি পাঠানো হয়েছে। সুতরাং, আপনাদের সঙ্গে কি এ ধরনের কোনো যোগাযোগ হয়েছে এবং সেটির বর্তমান অবস্থা কী?
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না, এই নির্দিষ্ট প্রত্যর্পণের অনুরোধটি গৃহীত হয়েছে কিনা। তবে আমি আপনাকে এটুকু বলতে পারি, আমি পরে এ বিষয়ে আপনাকে জানাব। তবে আমি বলতে পারি, যেকোনো প্রত্যর্পণ অনুরোধই সেটির আইনি দিক এবং এর সঙ্গে জড়িত আইনি বিষয় ও বিচারিক প্রক্রিয়াগুলো বিবেচনা করে খতিয়ে দেখা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :