
স্থানীয় সময় বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে নতুন অভিবাসন নীতির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক। সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে নেট বিদেশি অভিবাসন কমিয়ে আনা।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্তমানে চাহিদাভিত্তিক কিছু ভিসা ব্যবস্থায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে নেট বিদেশি অভিবাসন ৩ লাখ ৫ হাজার থেকে প্রায় ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পরিবার নেওয়ার সুযোগে পরিবর্তন
২০২৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ৩ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভিসা পেয়েছিলেন। এর মধ্যে প্রায় ৪৫ হাজার ভিসা দেওয়া হয়েছিল শিক্ষার্থীদের নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের। নতুন ব্যবস্থায় অধিকাংশ বিদেশি শিক্ষার্থীকে পরিবারের সদস্য ছাড়াই অস্ট্রেলিয়ায় আসতে হতে পারে।
অর্থাৎ, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের যেসব শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী এবং নির্ভরশীল সন্তানকে সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ আগের তুলনায় সীমিত হতে পারে।
ভিসা নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা
ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থান ঠেকাতেও নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার কমানো, ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দ্রুত দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিবাসনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির প্রয়োজনীয় শ্রমশক্তি ও দক্ষ কর্মীর চাহিদার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে।
অস্ট্রেলিয়ার নতুন এই নীতির ফলে দেশটিতে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে আগ্রহী বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা পরিকল্পনা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নেওয়ার সিদ্ধান্তে নতুন করে হিসাব করতে হতে পারে।
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :