
দক্ষিণ-পশ্চিম আয়ারল্যান্ডের ডিঙ্গল উপদ্বীপে রয়েছে ‘স্লিভ আন আইওলার’, যার অর্থ ‘ঈগল পাহাড়’। একসময় সেখানে প্রচুর ঈগল দেখা যেত। পরে আয়ারল্যান্ড থেকে সোনালি ঈগল ও সাদা লেজের ঈগল বিলুপ্ত হয়ে যায়।
দেশটির আরেকটি স্থান ‘তুয়াম না ম্যাক তিরে’-এর অর্থ ‘নেকড়ের কবর’। শিকার ও আবাসস্থল হারানোর কারণে আয়ারল্যান্ডে অষ্টাদশ শতাব্দীতে নেকড়ে বিলুপ্ত হয়। বিভিন্ন এলাকার নামের মধ্যেও সারস ও বুনো শূকরের উপস্থিতির স্মৃতি পাওয়া যায়।
গবেষকদের মতে, এসব প্রাচীন স্থাননাম মানুষের দীর্ঘদিনের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন। এর মাধ্যমে অতীতে কোথায় বন, জলাভূমি বা বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ছিল, সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব।
এসব তথ্য ভবিষ্যতে পরিবেশ পুনরুদ্ধারেও কাজে লাগতে পারে। পুরোনো স্থাননাম গবেষকদের বনভূমি ও জলাভূমি পুনর্গঠনের সম্ভাব্য এলাকা চিহ্নিত করতে প্রাথমিক সূত্র দিতে পারে।
আয়ারল্যান্ডে বিলুপ্ত ঈগল ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এগিয়ে চলছে। ২০০৭ সালে সাদা লেজের ঈগল পুনঃপ্রবর্তনের পর দেশটিতে এখন প্রায় ১৫০টি ঈগল বন্য পরিবেশে রয়েছে। এমনকি কিছু ঈগল আবার সেই ‘ঈগল পাহাড়’-এর আশপাশেও ফিরে এসেছে। সূত্র: বিবিসি নিউজ
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ইউটিউব চ্যানেল ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :