
মঙ্গলবার (১৯ মে) লালমনিরহাটের সিনিয়র দায়রা জজ মো. হায়দার আলীর আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট কে এম হুমায়ূন রেজা স্বপন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমান রিপন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিহত এম ওয়াজেদ আলী পাটগ্রাম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও একটি কিন্ডারগার্টেনের প্রশাসক ছিলেন। ২০২৩ সালের ২০ জানুয়ারি রাতে পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হয়ে আত্মীয়ের বাসা থেকে ফেরার পথে পাটগ্রাম পৌর এলাকার নিউ পূর্বপাড়ায় তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে নাহিদুজ্জামান প্রধান ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাঁর পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন।ওয়াজেদ আলীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. রিফাত হাসান পাটগ্রাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় পলাতক আসামি নাহিদুজ্জামান প্রধান ওরফে বাবুকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। এছাড়া আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তারের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে। তিনি চাইলে রায়ের সাত দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।
লালমনিরহাটের আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
আপনার মতামত লিখুন :