
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাভারের বরদেশী মৌজাসহ বিভিন্ন এলাকার ভূমিসংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রয়োজন হলে সরেজমিনে গিয়ে জমির অবস্থা পরিদর্শন করেন লতিফ মল্লিক। এরপর সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত দেন। এতে ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সেবাগ্রহীতা মো. জয়নাল বলেন, ৩০ ধারার একটি মামলায় রায়ের মাধ্যমে তিনি তাঁর দাবিকৃত জমির রেকর্ড ফিরে পেয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত দেওয়ায় তিনি কাঙ্ক্ষিত সেবা পেয়েছেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, দালালমুক্ত পরিবেশে সেবা নিশ্চিত করতে তিনি চেষ্টা করছেন। মামলার বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ারও চেষ্টা করেন তিনি।
এ বিষয়ে সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা লতিফ মল্লিক বলেন, “সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে জনগণকে আইন অনুযায়ী নিরপেক্ষ সেবা দেওয়াই আমাদের দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছি।”
সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশিত কিছু সংবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, “অপপ্রচারে আমি বিচলিত নই। আইন ও বিধি মেনেই দায়িত্ব পালন করে যাব।”
তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারীদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :