
সোমবার (৬ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল।
স্থানীয় প্রশাসন ও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার থেকে থানচিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এতে সাঙ্গু নদী ও পাহাড়ি খাল-ছড়াগুলোতে পানির প্রবাহ দ্রুত বেড়ে গেছে। নদীতে তীব্র স্রোত থাকায় নৌযান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রুঅং মারমা বলেন, তিন্দুর ‘বড় পাথর’ এলাকায় পর্যটকবাহী একটি নৌকা স্রোতের কবলে পড়ে ডুবে যায়। তবে মাঝি আগেই পর্যটকদের তীরে নামিয়ে দেওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
থানচি পর্যটক গাইড কল্যাণ সমিতির সভাপতি জওয়াইপ্রু মারমা বলেন, রেমাক্রী খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় নাফাখুম এলাকায় প্রায় ৭০ জন পর্যটক অবস্থান করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে এলে তাঁরা ফিরে আসবেন।
এ ছাড়া রেমাক্রী এলাকায় আরও ২০ থেকে ৩০ জন পর্যটক রয়েছেন বলে জানান মংপ্রুঅং মারমা। তাঁর ভাষ্য, পাহাড়ি ঢল ও নদীর প্রবল স্রোতের কারণে আপাতত তাঁদের ফিরে আসা সম্ভব হচ্ছে না।
তবে পর্যটক আটকে পড়ার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি বলে জানান ইউএনও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল। তিনি বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে সাঙ্গু নদী ও পাহাড়ি খালগুলোর পানি দ্রুত বেড়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে তিন্দু, রেমাক্রী ও নাফাখুমে ভ্রমণের বিষয়ে মৌখিক সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটক, গাইড ও নৌযানচালকদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ ও নৌযান চলাচল থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বান্দরবান নিয়ে আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে
লাখোকণ্ঠের খবর পেতে ফেসবুক পেজ ফলো করুন
আপনার মতামত লিখুন :